সংস্কৃতিতে সিলেটের অবদান অনেক বেশি: রাশেদ খান মেনন

আমাদের দেশে এখন নতুন কিছু উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এগুলো হলো- জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা। সংস্কৃতি ছাড়া এসব উপদ্রব থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর আবুল মাল আবদুল মুহিত কমপ্লেক্সে চলমান বেঙ্গল সাংস্কৃতিক উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেনন এসব কথা বলেন। সমাপনী পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাছন রাজা মঞ্চে শুরু হয় শেষ দিনের সাংস্কৃতিক আয়োজন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, সংস্কৃতি মানে বাঁচা, দারুণভাবে বাঁচা। দেশের সংস্কৃতিতে সিলেটের অবদান অনেক বেশি। মুনিপুরী, খাসিয়াসহ অনেক আদিবাসীগোষ্ঠির বসবাস এই অঞ্চলের সংস্কৃতিতে বৈচিত্র এনেছে। এখানে হাসন রাজা, রাধারমন, শাহ আব্দুল করিমসহ অনেক মরমী সাধক জন্ম নিয়েছেন।

বেঙ্গল সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজনের জন্য বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিভাগে এ ধরণের আয়োজন করা উচিত। এতো বড় পরিসরে না হলেও ছোট পরিসরে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে এ আয়োজন করা যায়।

মেনন বলেন, আজকে এই আয়োজন শেষ হচ্ছে। তবে এই বিদায় চিরবিদায় নয়। আগামীতে আরো উজ্জ্বলভাবে এ ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু বলেন, রাজনীতি ও সংস্কৃতি হাত ধরাধারি করে হাঁটে। ফলে রাজনীতির উৎকর্ষতা সাধনে সংস্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই। তিনি বলেন, নৈরাজ্য থেকে দূরে থাকার জন্য সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই।

লিটু দশদিনব্যাপী এই আয়োজনে সিলেটের দর্শকদের সহযোগীতা ও অশংগ্রহনের প্রশংসা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার নজমুনারা খানম, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচঅলক ফরিদুর রেজা সাগর ও গোল্ডেন হারভেস্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব সামদানি।

শেয়ার করুন